এক বেলার মধ্যেই পদত্যাগ সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর


ক্ষমতাসীন দ্বি-দলীয় জোট থেকে গ্রিন পার্টি সরে যাওয়ার পর বুধবার তিনি প্রধানমন্ত্রীত্ব ছেড়ে দেন বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে।

আনদেসনের এ পদত্যাগে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটিতে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।

স্যোশাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির এ নেতা জানান, পার্লামেন্টের স্পিকারকে তিনি বলেছেন এককভাবে গঠিত একটি সরকারের প্রধান হিসেবে তিনি ফের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাবেন বলে আশা করছেন; আর অন্যান্য দলের সমর্থনে এটি ঘটার জোরাল সম্ভাবনাও আছে।  

সুইডেনের পার্লামেন্ট সরকারের বাজেট বিল প্রত্যাখ্যান করলে ক্ষমতাসীন জোট থেকে সরে যায় গ্রিন পার্টি।

“আমি স্পিকারকে বলেছি আমাকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে। এক দলের, স্যোশাল ডেমোক্র্যাট সরকারের প্রধানমন্ত্রী হতে আমি প্রস্তুত,” সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই বলেছেন আনদেসন।

গ্রিন পার্টি জানিয়েছে, পার্লামেন্টে নতুন যে কোনো আস্থা ভোটে তারা আনদেসনকে সমর্থন দেবে; সেন্টার পার্টি জানিয়েছে তারা ভোটদানে বিরত থাকবে। এর ফলে কার্যত জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময় পার্লামেন্টে আনদেসনের যে সমর্থন ছিল, নতুন স্যোশাল ডেমোক্র্যাট সরকার হলেও সেই সমর্থনই বহাল থাকবে।

লেফট পার্টি জানিয়েছে, তারাও প্রধানমন্ত্রী পদে অ্যান্ডারসনকে সমর্থন দেবে।

স্যোশাল ডেমোক্র্যাট, গ্রিন, সেন্টার ও লেফট পার্টিগুলো নিজেদের মধ্যে বাজেট বিষয়ে একমত হতে না পারলেও তারা সুইডেন ডেমোক্র্যাট পার্টিকে ক্ষমতার বাইরে রাখতে ঐক্যবদ্ধ।

বিরোধী ডানপন্থি উদারবাদী ও ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটরা জনতুষ্টিবাদী, অভিবাসনবিরোধী সুইডেন ডেমোক্র্যাট পার্টির পাশে থাকলেও তারা সবাই মিলে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখাতে পারবে না।

“আনদেসনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য দরজা খোলা রেখেছে সেন্টার পার্টি। আমরা নিশ্চিত করতে চাই, সুইডেন এমন একটি সরকার পাক যেটি সুইডেন ডেমোক্র্যাটদের ওপর নির্ভরশীল নয়,” টুইটারে এমনটাই বলেছেন সেন্টার পার্টির নেতা আনি লুয়েফ।



Source link

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *