এক যুগে সভা-সমাবেশে দাঁড়াতে দেয়নি সরকার


সরকারের জাতীয় জরুরি সেবা ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, স্বাধীন মতপ্রকাশের জন্য সভা-সমাবেশ, মিটিং-মিছিল করা যাবে। এ জন্য শুধু মহানগরীতে পুলিশ কমিশনার আর জেলাপর্যায়ে পুলিশ সুপারের কাছে একটা আবেদন করতে হবে। অনুমতি পেলে দু-চার দিন পর্যন্ত পুলিশ নিরাপত্তা দেবে।

বিরোধী রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সংগঠনগুলো বলছে, ওয়েবসাইটে সভা-সমাবেশের অনুমতি যত সহজে পাওয়া যাবে বলে বলা হচ্ছে, আসলে তা নয়। সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগ দেওয়ার অধিকার মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু গত এক যুগে সভা-সমাবেশে বিরোধীদের সরকার দাঁড়াতেই দেয়নি। সভা-সমাবেশের অনুমতি পেলেও কৌশলে তা পণ্ড করেছে। হয় সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী, নইলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ কাজে ব্যবহার করা হয়েছে।

তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও সমমনা সংগঠনগুলোর সভা-সমাবেশ করার অভিজ্ঞতা ভালো ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছে।

দেশে সভা-সমাবেশের অধিকার কতটা, তা পর্যবেক্ষণ করে থাকে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার প্রয়োগ কতবার এবং কোনো প্রেক্ষাপটে হয়েছে, তা দিয়ে এ অধিকার সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যায়। আসকের হিসাবে, গত এক যুগে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে ৯৪৫ বার।



Source link

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *