মাসের শেষে লঘুচাপ, তারপর শীত


গত দুয়েক দিন ধরে রংপুর, রাজশাহী, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা
কমছে। তবে দিনে গরমই থাকছে। আরও দুদিন এমন ধারা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানান আবহাওয়াবিদ
এ কে এম রুহুল কুদ্দুস।

বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “দক্ষিণ আন্দামান সাগরে
একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে ২৯ বা ৩০ নভেম্বরে। এটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপও হতে পারে।
এর প্রভাব কেটে যাওয়ার পর ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে জেঁকে বসতে পারে শীত।”

এদিন শ্রীমঙ্গল ও তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা
রেকর্ড করা হয়েছে। রাজধানীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রুহুল কুদ্দুস বলেন, “রাতে শীতের অনুভূতি বাড়ছে। রংপুর, রাজশাহীতে ১৩ থেকে
১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকছে। আরও দুদিন এ প্রবণতা থাকবে।
আগামী সোম বা মঙ্গলবারের দিকে লঘুচাপ সৃষ্টি হলে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।”

চলতি মাসে সাগরে এক দফা নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছিল। নভেম্বরের মাঝামাঝি গুঁড়ি
গুঁড়ি বৃষ্টির পর কয়েকদিন ঠাণ্ডার অনুভূতি ছিল বেশ।

ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে শীতের পরশ

নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস

তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমেছে ১৩.২ ডিগ্রিতে
 

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি শীতের প্রকোপ বাড়লে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা মৃদু শৈত্যপ্রবাহের
কাছাকাছি চলে যেতে পারে। বছরের শেষ মাসে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে
বয়ে যেতে পারে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।

শুক্রবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য
কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার সীতাকুণ্ড, কুতুবদিয়া ও চট্টগ্রামে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল
৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

 



Source link

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *